দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী - কিছু প্রশ্ন ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা

‘দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শর্নী’ ৩৫ বছরে পা দিল এবারের ১৭তম আয়োজনের মাধ্যমে। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে বিশাল আয়োজন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫৪টি দেশের অংশগ্রহণ, প্রায় ৩০০ শিল্পীর শিল্পকর্ম প্রদর্শনী, ৫ কোটি টাকার বাজেট প্রভৃতি পরিসংখ্যানকে সংখ্যার বিচারে হিসাব করলে এই দ্বিবার্ষিক প্রদর্শনীর আয়োজনকে সার্থকই বলা চলে। তবে সংখ্যার হিসাব ছেড়ে একটু মনন দিয়ে বিশ্লেষণ করলে এই আয়োজন নিয়ে অসংখ্য প্রশ্ন মনে আসাটা স্বাভাবিক। তবে এসব প্রশ্ন খুব নতুন কিছু নয়। অতীতেও নানাজনের নানা রচনায়, বক্তব্যে একই ধরনের প্রশ্নের উত্থাপন ঘটেছে।

জঙ্গিবাদের হুমকির মুখে, নিরাপত্তাবিষয়ক নানা সংশয় মোকাবিলা করে এ ধরনের একটি আয়োজন সম্পন্ন করার কৃতিত্বের জন্য আয়োজক কমিটিকে অভিনন্দন। মূল প্রদর্শনীর পাশাপাশি লোকশিল্পীদের উপস্থিতি ও লোকশিল্পের প্রদর্শনী আয়োজনকে ভিন্নমাত্রা দিয়েছে। অন্যদিকে এই আয়োজনকে উপলক্ষ করে জাতীয় জাদুঘরে গুরুশিল্পীদের শিল্পকর্মের প্রদর্শনীর উদ্যোগটিও প্রশংসনীয়। দ্বিবার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনীতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দর্শক হিসেবে উপস্থিতিকে জাতীয় মনন বিকাশে আশাবাদী ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। মোটের ওপর এসবই এই আয়োজনের সফলতা। কিন্তু এ সফলতাকে আরও বহুগুণ বাড়তে দিল না যেসব প্রশ্নবিদ্ধ কর্মকা-, এবার তাহলে সে প্রসঙ্গে আসা যাক।

দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী (ASIAN ART BIENNALE) এই শিরোনামটি থেকে আমরা কী কী তথ্য পেতে পারি। ১. প্রদর্শনীটি একটি দ্বিবার্ষিক আয়োজন, ২. এশিয়ার দেশগুলো এতে অংশগ্রহণ করবে (যেকোনো বিদেশী শব্দের বানানে এখন ‘’ি কার ব্যবহার করা হচ্ছে, এমনকি শিল্পকলা একাডেমিও ‘একাডেমি’ বানানে ‘ী’-এর পরিবর্তে ‘’ি ব্যবহার করছে। কিন্তু ‘এশীয়’ বানানটি অপরিবর্তিত রয়েছে কেন? মনে প্রশ্ন আসাটা দোষের কিছু কি? নাকি এশিয়ান শব্দ থেকে উৎসারিত ‘এশীয়’ শব্দটি এখন বাংলা শব্দ হয়ে গেছে?) ৩. এটি একটি চারুকলা প্রদর্শনী (কিন্তু যদি চারুকলা প্রদর্শনী হয়, তবে ইংরেজিতে অজঞ লেখা কেন? কেন ঋওঘঊ অজঞ নয়? আর যদি অজঞ শব্দটি ব্যবহার করতে হয়, তবে শিল্পকলা প্রদর্শনী নয় কেন? শব্দের এই বিভ্রান্তিকর ব্যবহার সমগ্র আয়োজনের মতোই বিভ্রান্তি ছড়ায় ও অপ্রাসঙ্গিক বোধের জন্ম দেয়।)

দুই বছর পর আয়োজনের মাধ্যমে এই প্রদর্শনীর দ্বিবার্ষিক চরিত্রটি অটুট। তবে বিয়েনাল (BIE NNALE) বলতে আজ সমকালীন শিল্পের পরিপ্রেক্ষিতে যা বোঝায়, তাতে করে এই আয়োজন নিয়ে মন সংশয়বাদী হতে বাধ্য। এ্রশিয়ার ভৌগোলিক গ-ির বাইরে প্রদর্শনীটি পা বাড়িয়েছে তার দ্বিতীয় আসর থেকেই। যদিও প্রথম আসরে আয়োজক কর্তৃপক্ষ এই প্রদর্শনীর গুরুত্ব ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেছে, ‘যে পরিকল্পনা এবং ধারণাবোধ থেকে প্রদর্শনীর উদ্ভব, তা হচ্ছে এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে শিল্পসত্তার তাৎপর্যকে উপস্থিত করা, যা একই সঙ্গে প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব এবং সর্বজনীন।’১ তবু এ সতেরোতম আয়োজনে এসেও ‘এশীয়’ নামের কোনো পরিবর্তন নেই কেন? এ প্রসঙ্গে নানা প্রশ্নের উত্থাপন ঘটেছে আগেও-

‘অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বৃদ্ধিতে বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার অংশগ্রহণের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকে বলেছিলেন আয়োজনটিকে আর এ্রশিয়ার গ-ির মধ্যে আবদ্ধ না রেখে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে রূপান্তর করা প্রয়োজন। প্রস্তাবটি আমার কাছে বাস্তবসম্মত মনে হয়নি।’২ (আবুল মনসুর, ১৯৯৫)

‘এবারের বিয়েনালে আফ্রিকার দেশগুলোও অংশগ্রহণ করেছে। তাই এটাকে শুধু এশিয়ান বিয়েনাল বলা ঠিক হচ্ছে না; বরং এশিয়ান আফ্রিকান দ্বিবার্ষিক চারুকলা প্রদর্শনী বলা যায়।’৩ (মইনুদ্দীন খালেদ, ২০০৪)

‘৩২টি দেশ এক অর্থে প্রদর্শনীটিকে বিশ্ব চারুকলা প্রদর্শনীর মর্যাদা দিয়েছে বলা চলে, তবে এ প্রবণতা বাংলাদেশ দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা ভাবতে হবে।’৪ (নজরুল ইসলাম, ২০০৬)

"The Term ‘Asian’ is however, increasingly becoming a misnomer, as countries as far away from Asia as Cuba and Brazil are taking part... the time has come, therefore to rename the event. How about ‘Dhaka Biennale?’"৫ (Syed Manzoorul Islam, 2006)

শিল্পী মনিরুল ইসলামও ‘ঢাকা আর্ট বিয়েনাল’-এর প্রস্তাব দিয়েছিলেন ২০০৮ সালে।৬ এখন কথা হচ্ছে, এসব প্রশ্ন যাদের মাধ্যমে উত্থাপিত হচ্ছে, তাঁরা সকলেই কখনো না কখনো আয়োজক কমিটির সদস্য ছিলেন (এর মধ্যে একাধিক ব্যক্তিত্ব একাধিকবার জাতীয় কমিটির সদস্য ছিলেন)। তাঁরা কি এসব প্রশ্ন আয়োজন কমিটির সভায় উত্থাপন করেননি? নাকি আয়োজক কমিটির অন্য সদস্যরা তাদের প্রস্তাবকে আমলেই নেননি? জাতীয় কমিটির প্রভাবশালী সদস্যরা যদি নজরুল ইসলাম, শিল্পী মনিরুল ইসলাম, আবুল মনসুর, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, মইনুদ্দীন খালেদের মতো ব্যক্তিত্বদের কথাকে গুরুত্ব না দেন, তবে তাঁদের কমিটিতে রেখে প্রহসন করার অর্থটা কী? নাকি এ ধরনের খ্যাতিমানদের নামগুলো আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করলে নানা অনিয়ম ও অপ্রাসঙ্গিক কর্মকা-কে শিল্পীদের সহনীয় রূপ দিতে সুবিধা হয়? যদিও এ নামকরণের ভ্রান্তিকর সংস্কৃতির ইতিহাস বেশ পুরোনো এবং শিল্পকলা একাডেমির ‘জাতীয় চিত্রশালা (National Art Gallery) নামকরণ নিয়ে শিল্পী মহলে নানা অসন্তোষ সর্বজনবিদিত। এ প্রসঙ্গে মতলুব আলী আশির দশকের প্রথম ভাগেই আলোকপাত করেন ‘শিল্পকলা একাডেমিতে আমাদের একটি শিল্পকলা সংগ্রহশালা কেন্দ্র রয়েছে, নাম “ন্যাশনাল আর্ট গ্যালারী” [আদৌ যা কেবল “চিত্রকর্ম” সংগৃহীত করে রাখার জন্য নির্বাচিত নয়-অন্যান্য সব ধরনের শিল্পকর্মও সেখানে থাকবার কথা, সেই মর্মে সকল মাধ্যমের কাজ একাডেমি কর্তৃপক্ষ ক্রয় করেও থাকেন। অথচ এর নাম ইংরেজি নামের সাথে সঙ্গতিহীনভাবে ফলাও করে রাখা হয়েছে “জাতীয় চিত্রশালা”] যা স্থাপিত একাডেমির একতলার গোলকৃতি হলঘরে।’৭

কিউরেটর ও শিল্পীরা দুই বছর পরপর আয়োজিত যেকোনো প্রদর্শনীকেই কি আন্তর্জাতিকভাবে বিয়েনাল হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন? নাকি বিয়েনাল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে তার কিছু বৈশিষ্ট্য থাকা চাই? শুধু বিয়েনাল কেন, যেকোনো আয়োজনেরই একটি মূল ভাবনা, আদর্শ ও উদ্দেশ্য থাকাটা বাঞ্ছনীয়। সে ক্ষেত্রে আমাদের এশিয়ান বিয়েনালের মূল ভাবনা, আদর্শ বা উদ্দেশ্যটাই কী? এ বিয়েনাল আয়োজন করে আমরা কী প্রতিষ্ঠা করতে চাইছি? যদি তার উদ্দেশ্য হয় আন্তর্জাতিক পরিচিতি, তবে সেই পরিচিতি কতটা ঘটছে? মোটা দাগ বা কল্পনাপ্রসূত ভাবনা থেকে এর সফলতার জন্য আমরা আত্মশ্লাঘায় ভুগতেই পারি। কিন্তু বাস্তবটা মোটেও সুখকর নয়। আবুল মনসুরের মতে, ‘তবে আন্তর্জাতিক পরিসরে এ প্রদর্শনীর তেমন কোনো স্বীকৃতি আজ পর্যন্ত চোখে পড়েনি। অনেক পরে শুরু হয়েও দুবাই, বেইজিং বা এ মহাদেশেরই আরও কিছু আয়োজন বিশ্বপরিসরে মর্যাদার আসন পেয়ে গেছে। আমরা সেটি অর্জন করিনি, করার তেমন প্রয়াসও লক্ষণীয় নয়।’৮

আশির দশকের তরুণ শিল্পীরা কিন্তু এ বিয়েনাল নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী ছিলেন-

‘ঔপনিবেশিক পরাকাষ্ঠা থেকে মুক্ত করে পারিপার্শ্বিক জীবনের স্বাদ আর অভিজ্ঞতার আলোকে নিজ সাংস্কৃতিক অঙ্গনটাকে দীর্ঘ পনেরো বছরে কতটা চাঙা করা গেল তারও কিছুটা এখান থেকে যাচাই করে নেয়া যেতে পারে। জাতি দেশ কাল সর্বোপরি সমগ্র বিশ্বলোকে আমাদের নিজস্ব সুকুমার সত্তাটাকে কতটা প্রসারিত করতে পেরেছি এবং বর্তমান বিশ্বের মূল প্রবাহের সমান্তরালে কতটা সার্থকভাবে নিয়ে যেতে পেরেছি সেই সব উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই সম্ভবত এ ধরনের প্রদর্শনীগুলো সর্বত্র সার্থক ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।’৯

আমরা ঔপনিবেশিক পরাকাষ্ঠা থেকে কতটা মুক্ত হতে পেরেছি বা জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে সংস্কৃতিচর্চা করতে পারছি কি না- এসব প্রশ্ন এক পাশে রেখে যদি এই আয়োজনের মূল ভাবনা হিসেবে ধরি এশিয়ার অন্যান্য দেশের শিল্পের সঙ্গে যোগাযোগ, তবে সেটাই বা কতটা ঘটছে? অবশ্য না ঘটাই স্বাভাবিক, কারণ যে আয়োজনে উদ্দেশ্য ও আদর্শ নিয়ে আমরা নিজেরাই বিভ্রান্ত, তা ভিনদেশি শিল্পীদের আকর্ষণ করতে ব্যর্থ হবে, এটাই তো স্বাভাবিক। এই আয়োজনকে সার্থক করতে হলে আমাদের অবশ্যই গোড়া থেকেই ভাবতে হবে। আমরা কি এশিয়ার গ-ির মধ্যে থাকব, নাকি সমগ্র বিশ্বব্যাপী ঘটবে এর প্রসার। যদি এশিয়াকে নিয়েই ভাবি, তবে আমাদের নির্ধারণ করতে হবে আমরা কোন অবস্থান থেকে এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে শিল্প সম্পর্ক গড়তে চাই। কারণ, সমগ্র এশিয়ার অবস্থা আজ এক নয়, এ ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটকে কী করে একটি আয়োজনে ঐক্যের সূত্রে গাঁথা হবে, তা সুনির্দিষ্ট কোনো ভাবনা (পড়হপবঢ়ঃ) ছাড়া সম্ভব নয়। শুধু ভাবনা থাকলেই হবে না, তার একটি নৈতিক ভিত্তিও থাকা চাই। কারণ, সারা বিশ্বে এতসংখ্যক আয়োজনের মধ্যে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আমরা নিজেদের আয়োজনের স্বকীয় বৈশিষ্ট্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারব, তা-ও গুরুত্বপূর্ণ। আজ যদি আমরা ভিনদেশি কোনো বিয়েনালের হুবহু কাঠামোকে অনুকরণ করতে যাই, তবে তা-ও হবে মস্ত বড় ভুল।

আর যদি এশিয়ার গ-িতে সীমাবদ্ধ না থাকতে চাই, তবে আয়োজনের শিরোনাম থেকে ‘এ্রশীয়’ শব্দটি বাদ দেওয়া হোক। কিন্তু তাই বলে আন্তর্জাতিকতার নামে সারা পৃথিবীর পতাকা গণনা করে কাঁচামালের মতো আমদানির প্রক্রিয়া চালু করলে হবে না। কারণ, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে সবাই দ্রুত অনেক কিছু যাচাই করে নিতে পারেন বিধায় ফ্রান্স বা ইতালির শিল্পীরা শিল্পকর্ম প্রদর্শন করছেন এই বলে তরুণদের হয়তো খুব বেশি দিন বোঝানো যাবে না। সবাই জানতে বুঝতে চাইবে এই ফ্রান্স ও ইতালির শিল্পীরা কারা? তাদের শিল্পকর্মের মানটাই বা কী? নিজ দেশে তাদের অবস্থান কী? তাই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী যতটা ঠিকঠাকভাবে আয়োজন করা সম্ভব, তাই করা উচিত, যথেচ্ছা পতাকার সংখ্যা বৃদ্ধি না করে। কারণ, রাস্তায় প্রদর্শনীর পোস্টার দেখে বা শিল্পকলা একাডেমির বাইরে ঝান্ডার বহর দেখে যতটা মন পুলকিত হয়, গ্যালারিতে ঢুকলে তার কয়েক গুণ বেশি চুপসে যায়।

তাই শিল্পী ও শিল্প-সমালোচকদের পক্ষ থেকে বারবার যে কিউরেটিং, মান নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত সেমিনারের দাবি উঠেছে, তা যদি কর্তৃপক্ষ আমলে না নেয়, তবে ১৮তম বিয়েনালটিও পতাকাসর্বস্ব একটি আয়োজন হতে চলেছে- এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। সেই সঙ্গে যোগ্য ব্যক্তিদের কিউরেটিং ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দিতে হবে। কোনো অনভিজ্ঞকে ব্যক্তি পরিচয়ের ভিত্তিতে নিয়োগ না দিয়ে শিল্পের সঙ্গে যোগাযোগ আছে, শিল্প সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা আছে এমন ব্যক্তিদের নিয়োগের মাধ্যমেই কেবল সার্থক হতে পারে বাংলাদেশের অজস্র মানুষের করের টাকায় আয়োজিত এই দ্বিবার্ষিক আয়োজন।

তথ্যসূত্র :
১. মতলুব আলী, এশীয় চারুকলা দ্বিবার্ষিক: এক দুই তিন চার, মানব প্রকাশন, ঢাকা, ১৯৯১, পৃ. ১৭-১৮।
২. আবুল মনসুর, ‘এশীয় প্রদর্শনী : দু চার কথা’ শিল্পকথা শিল্পীকথা, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা, ২০১৬, পৃ. ১৯২।
৩. গ্রন্থনা: জাহিদ মুস্তাফা, ‘এশীয় দ্বিবার্ষিকের চাওয়া পাওয়া ও তথ্যচিত্র কহেন’ শিল্পকলা (সম্পা: নীলিমা আফরিন), প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সংখ্যা, এপ্রিল জুন ২০০৪, ঢাকা, পৃ. ১৬।
৪. নজরুল ইসলাম, ‘দ্বাদশ এশীয় দ্বিবার্ষিক চিত্রকলা প্রদর্শনী, বাংলাদেশ, ২০০৬ সমকালীন শিল্প ও শিল্পী, পাঠক সমাবেশ, ঢাকা, ২০০৯, পৃ. ২৬২।
৫. Syed Manzoorul Islam, ‘12th asian art biennale bangladesh, 2006: the good, the bad, and the indifferent’, Jamini (ed: Luva Nahid Choudhury), Vol: 3, 2, June 2006, Dhaka, p. 23.
৬. সাঈদ জুবেরী, ‘১৩তম এশিয়ান বিয়েনাল’, শিল্পরূপ (সম্পা. নীলিমা আফরিন) দ্বিতীয় বর্ষ চতুর্থ সংখ্যা, অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০০৮, ঢাকা, পৃ. ৪৭।
৭. মতলুব আলী, ‘প্রসঙ্গ’ প্রাগুক্ত পৃ. ৬২ ‘দ্বি-বার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী।
৮. আবুল মনসুর, ‘এশীয় প্রদর্শনী এশীয় থাকবে না?’ দৈনিক প্রথম আলো, ঢাকা ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬।
৯. ১৯৮৬ সালে দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীকে উপলক্ষ করে ‘সময়’ শিল্পীগোষ্ঠী প্রকাশিত বিশেষ ক্রোড়পত্রে প্রকাশিত ‘একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর তাৎপর্য’ শীর্ষক রচনা থেকে সংগৃহীত।